১০ হাজার রানের মাইলফলকে শোয়েব মালিক

নিউজ দর্পণ ডেস্ক: ক্রিকেটবিশ্বের আগ্রহের কেন্দ্রে যখন ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) ক্রিকেট, তখন নিজ দেশের ন্যাশনাল কাপ টি-টোয়েন্টিতে ইতিহাস গড়েছেন পাকিস্তানের অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান শোয়েব মালিক। এশিয়ার প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে প্রবেশ করেছেন ১০ হাজার রানের মাইলফলকে।

দেশে ক্রিকেট ফেরানোর লক্ষ্যে ন্যাশনাল কাপ টি-টোয়েন্টি আয়োজন করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। যেখানে শুরুটা খুব একটা ভালো ছিল না খাইবার পাখতুনের ব্যাটসম্যান মালিকের। তবে ষষ্ঠ ম্যাচে পেয়েছেন ফিফটির দেখা, গড়েছেন ইতিহাস।

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বিশ্বের তৃতীয় এবং এশিয়ার প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ১০ হাজার রানের মাইলফলকে পৌঁছে গেছেন মালিক। দীর্ঘ ১৫ বছরের ক্যারিয়ারে ম্যাচসংখ্যা ৪০০ ছোঁয়ার আগেই দশ হাজারের ক্লাবে প্রবেশ করলেন মালিক। তার আগে কুড়ি ওভারের ক্রিকেটে ১০ হাজার রান করেছেন ক্রিস গেইল ও কাইরন পোলার্ড।

শনিবার বেলুচিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে ৮ চার ও ২ ছয়ের মারে মাত্র ৪৪ বলে ৭৪ রানের ইনিংস খেলেছেন মালিক। এই ইনিংসে ৪৭তম রান নেয়ার পথে দশ হাজারের ঘরে ঢুকেছেন তিনি। বর্তমানে ৩৯৫ ম্যাচে তার সংগ্রহ ১০০২৭ রান, সেঞ্চুরি নেই তবে ফিফটি করেছেন ৬২ বার।

বিশ্বের তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে ১০ হাজার রান করেছেন মালিক। খুব শিগগিরই এই ক্লাবে চতুর্থ ব্যাটসম্যান ঢোকার সম্ভাবনা নেই। কেননা কাছাকাছি থাকা ডেভিড ওয়ার্নারের মোট রান ৯৫০৩; অর্থাৎ আরও প্রায় পাঁচশ রান করতে হবে তাকে। এছাড়া ৯৯২২ রান করে অবসর নিয়েছেন ব্রেন্ডন ম্যাককালাম।

টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক
১/ ক্রিস গেইল: ৪০৪ ম্যাচের ৩৯৬ ইনিংসে ১৩২৯৬ রান, সর্বোচ্চ ১৭৫*
২/ কাইরন পোলার্ড: ৫১৮ ম্যাচের ৪৬২ ইনিংসে ১০৩৭০ রান, সর্বোচ্চ ১০৪
৩/ শোয়েব মালিক: ৩৯৫ ম্যাচের ৩৬৮ ইনিংসে ১০০২৭ রান, সর্বোচ্চ ৯৫*
৪/ ব্রেন্ডন ম্যাককালাম: ৩৭০ ম্যাচের ৩৬৪ ইনিংসে ৯৯২২ রান, সর্বোচ্চ ১৫৮*
৫/ ডেভিড ওয়ার্নার: ২৮৮ ম্যাচের ২৮৭ ইনিংসে ৯৫০৩ রান, সর্বোচ্চ ১৩৫*

এদিকে দশ হাজার রানের মাইলফলকে ঢুকে ইতিহাস গড়ার ম্যাচে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেননি মালিক। তার ৭৪ রানের ইনিংসে ভর করে ১৫৪ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় খাইবার পাখতুন। জবাবে আওয়াস জিয়ার ৪৯ বলে ৯২ রানের সুবাদে ২০ বল হাতে রেখেই ম্যাচ জিতে নেয় বেলুচিস্তান।

টুর্নামেন্টের পয়েন্ট টেবিলে সবার ওপরে রয়েছে নর্দার্ন পাকিস্তান। তারা ছয় ম্যাচে জিতেছে ৫টিতে। সমান ছয় ম্যাচ খেলে ৪টি করে জিতেছে খাইবার পাখতুন ও বেলুচিস্তান। তবে নেট রানরেটে এগিয়ে থাকায় দুই নম্বরে অবস্থান করছে বেলুচিস্তান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *