সরকারের স্বাধীনতার বিকৃত ইতিহাস সম্পর্কে জনগণ সজাগ করতে হবে: মির্জা ফখরুল

নিউজ দর্পণ, ঢাকা: সরকারের স্বাধীনতার বিকৃত ইতিহাস সম্পর্কে জনগণ সজাগ করতে হবে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ শনিবার দুপুরে স্বাধীনতার সূবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন কমিটির বৈঠকে তিনি এই মন্তব্য করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তার ঘোষণা দিয়ে তার স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু করেছিলেন। আজকে স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃত হচ্ছে। সেই বিকৃত ইতিহাস সম্পর্কে আমাদেরকে নতুন প্রজন্মকে জানাতে হবে। আমি বলতে আমাদেরকে নুইয়ে পড়লে চলবে না। ভবিষ্যত যে স্বপ্ন সেটা আলোচনার মধ্য দিয়ে এগুতে হবে। সেই লক্ষ্যে আমাদের বিভিন্ন আলোচনা, বিভিন্ন প্রকশানা, বিভিন্ন ডকুমেন্টেশনের মধ্য দিয়ে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেয়ার এই একটা সুযোগ আমাদের অবশ্যই গ্রহন করতে হবে।
স্বাধীনতার সূর্বনজয়ন্তী উদযাপন কমিটির প্রথম এই ভার্চুয়াল বৈঠক হয়। এই বৈঠকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
কমিটির আহবায়ক স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে এই বৈঠকে কীভাবে স্বাধীনতার রজতজয়ন্তী বছর ব্যাপী করা যায় তার কর্মকৌশল ও প্রস্তাবিত কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে জাতীয় কমিটির বাইরে একটি স্টিয়ারিং কমিটি এবং অর্থ, সেমিনার-সিম্পুজিয়াম, ব্যবস্থাপনা, দফতর, প্রচার, প্রকাশনা, সাংস্কৃতিক ও মিডিয়া সহ বিভিন্ন উপকমিটি গঠনের বিষয়ে নিয়েও আলোচনা হয়।
মুক্তিযুদ্ধের সূর্বণজয়ন্তী উপলক্ষে বিষয়ভিত্তিক প্রকাশনা, পোস্টার ও লিফলেট প্রকাশও করবে বিএনপি।
স্বাধীনতার রজতজয়ন্তী জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব আবদুস সালামের পরিচালনায় বৈঠকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইসচেয়ারম্যান শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, আবদুল্লাহ আল নোমান, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, বরকতউল্লাহ বুলু, আবদুল আউয়াল মিন্টু, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, শামসুজ্জামান দুদু, অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, মনিরুল হক চৌধুরী, মিজানুর রহমান মিনু, মামুন আহমেদ, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মাহবুবউদ্দিন খোকন, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, বিলকিস জাহান শিরিন, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, মাহবুবে রহমান শামীম, শ্যামা ওবায়েদ, প্রচার সম্পাদক শহিদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, সমাজ কল্যান বিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন, তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, বিএনপি নেতা মহিদুর রহমান, জয়নাল আবেদীন, আশরাফ হোসেন উজ্জ্বল, গৌতম চক্রবর্তী, হাবিবুল ইসলাম হাবিব, আনোয়ার হোসেন খোকন, আরিফুল হক চৌধুরী, অঙ্গসংগঠনের মধ্যে মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নিরব, মহানগর উত্তর বিএনপির মুন্সি বজলুল বাসিত আনজু, শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেইন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের ভুঁইয়া জুয়েল, মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক সাদেক আহমেদ খান প্রমূখ নেতারা বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *