মধ্যবর্তী নির্বাচনই একমাত্র পথ : ডা. জাফরুল্লাহ

নিউজ দর্পণ, ঢাকা: ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দিয়ে চলমান আন্দোলন থামবে না উল্লেখ করে মধ্যবর্তী নির্বাচনই এর একমাত্র পথ বলে মন্তব্য করেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্ট্রি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

আজ  শুক্রবার সকালে এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ‘আজকে ফাঁসি চাই বলে এই আন্দোলন থামবে না। হঠাৎ এই ফাঁসি দিয়ে, এই আজগুবি কথা দিয়ে এটা থামবে না, এই আন্দোলন-সংগ্রাম থামবে না। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, এটার একমাত্র চিকিৎসা বা একমাত্র পথ সুষ্ঠু গণতন্ত্র, সুষ্ঠু নির্বাচন। এই রোগের চিকিৎসা জনগণের হাতে ক্ষমতা দেয়া। আসুন জনগণকে নিয়ে আমরা সবাই মিলে একত্রিতভাবে প্রতিদিন, যতদিন পর্যন্ত গণতন্ত্র না আসবে, মধ্যবর্তী নির্বাচন না আসবে ততদিন আমরা আন্দোলনে থাকি।’

প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ভয় কেন পান? একটা মধ্যবর্তী নির্বাচন দিয়ে দেখুন না। নির্বাচনে আসুন, গণতন্ত্র ফেরত দিন, গণতন্ত্র ফিরিয়ে দেয়াই এই রোগের চিকিৎসা। আমি বলি, আপনি সামগ্রিক পরিবর্তন আনেন। একটা কমিশন করে সবাই ডাকুন। আপনি একলা কিছুই করতে পারবেন না। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতির ব্যাপকতা তুলে ধরে ‘সরকার চুরিতে চ্যাম্পিয়ন হয়ে গেছে’ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘ভারতীয় প্রেসক্রিপশনে দেশ চলতে পারে না। হঠাৎ মন্ত্রী সাহেব বলছেন, ভারতের সঙ্গে আমাদের রক্তের সম্পর্ক আছে। কী রক্তের সম্পর্ক আছে? মুক্তিযুদ্ধের সময় আমরা যে রক্ত ঝরিয়েছি সেটা না আজকে ভারতীয় জোটের সম্পর্ক। ভারতীয় গোয়েন্দা বাহিনী ও ইসরাইলের মোসাহেদ আপনাকে ভুল পথে নিচ্ছে। এই ভুল পথ থেকে সরে না আসলে সবার জন্য সমূহ বিপদ।’

রাষ্ট্রের সর্বক্ষেত্রে নারীর সমান অধিকার ও তাদের একলা চলার নিশ্চয়তা ও নিরাপত্তার বিধান করতে হবে বলেও দাবি জানান এই প্রবীণ নাগরিক।

জাতীয়তাবাদী সংগ্রামী দলের উদ্যোগে নারী ও শিশুধর্ষণ ও নির্যাতনের প্রতিবাদে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন হানিফের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে কবি আবদুল হাই শিকদার, সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের সভাপতি অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, আইনজীবী রফিক শিকদার, ছাত্রী নেত্রী আরিফা সুলতানা রুমা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *