বিএনপির ৭ মার্চ পালনের সিদ্ধান্ত রাজনীতিতে ‘ইতিবাচক’: কাদের

নিউজ দর্পণ, ঢাকা: বিএনপির ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘৭ মার্চকে যারা এতদিন নিষিদ্ধ করে রাখতে চেয়েছিলো তারাই এখন ৭ মার্চ পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিএনপির এ প্রচেষ্টা দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে ইতিবাচক আবহ তৈরি করবে।’
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে শেখ রাসেল জাতীয় শিশু -কিশোর পরিষদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হন।
গতকাল বুধবার (২৪ ফেব্রয়ারি) দুপুরে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সংবাদ সম্মেলনে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে বাঙালির রক্তস্নাত অগ্নিঝরা মার্চে ১৯ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করে বিএনপি। সেই ঘোষণায় ‘৭ মার্চ আলোচনা সভা’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু, স্বাধীনতা, বাংলাদেশ একসূত্রে গাঁথা। বঙ্গবন্ধু সবার, তাঁকে মর্যাদার আসনে অভিষিক্ত করার অর্থই হচ্ছে দেশ ও স্বাধীনতার মূল্যবোধকে সম্মানিত করা। বঙ্গবন্ধু দিয়েছেন একটি স্বাধীন রাষ্ট্র, ভৌগোলিক মুক্তি, পক্ষান্তরে তাঁরই সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা দিয়েছেন অর্থনৈতিক মুক্তি এবং ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্তির রোল মডেল।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের রাজনীতিতে বঙ্গবন্ধু পরিবার সততা, মেধা ও সাহসের প্রতীক। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের সদস্যরা আগামীতে সোনার মানুষ তৈরি করবে।
২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে একটি সমৃদ্ধ দেশে উন্নীত করতে হলে শেখ হাসিনার যে স্বপ্ন তা সফল করতে হলে শিশুদের যোগ্য নাগরিক হয়ে গড়ে উঠার আহবান জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।
তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনাই হবে নতুন প্রজন্মের রোল মডেল, অনুকরণীয় আদর্শ। তাঁদেরকে স্মরণ করেই এগিয়ে যেতে হবে।
সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘দীর্ঘদিন ইতিহাসের পায়ে শেকল পরে রাখা হয়েছিলো, করা হয়েছিলো বিকৃত, তাই তরুণদের দেশ ও মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে হবে।
শেখ হাসিনাকে বর্তমান বিশ্বের সেরা তিন রাষ্ট্রপ্রধানের একজন উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘৭৫ পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যগণ কেউ গড্ডালিকা প্রবাহে গা ভাসিয়ে দেননি। বঙ্গবন্ধুর পরিবারের কেউ হাওয়া ভবন সৃষ্টি করেনি।
আয়োজক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান রকিবুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু, সিরাজুল ইসলাম মোল্লা, আনোয়ারুল আবেদিন তুহিন, সংগঠনের মহাসচিব মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী এবং সাংগঠনিক সচিব কে এম শহীদুল্লাহ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *