পুলিশ, প্রশাসন ও ভূমিদস্যুদের একাট্টা

নিউজ দর্পণ, ঢাকা: বিজ্ঞানীদের মতে পরিবেশ দূষিত হওয়ার কারণে বিশ্ব আজ বিভিন্ন বিপর্জয়ের সম্মূখীন, জীব বৈচিত্র ধ্বংস হচ্ছে। অপরিকল্পিতভাবে অধিক মাত্রায় শিল্প কারখানা গড়ে উঠায় নির্গত ধোয়ার কারণে বিশ্বের উত্তাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় মরু অঞ্চলের বরফ গলার ফলে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্যা দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে এবং প্লাবিত হচ্ছে পৃথিবীর নি¤œাঞ্চল। বাংলাদেশে বন্যা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার প্রশ্নে বিশেষজ্ঞরা প্রাকৃতিক বিপর্জয়কে দায়ী করছেন। বিজ্ঞানীদের মতে মানুষের নি:শ্বাস থেকে যে কার্বন ডাঅকসাইড নির্গত হয় তা গাছ গ্রহণ করে এবং মানুষ যে অক্সিজেন গ্রহণ করে বেচে থাকে তা গাছ থেকে নির্গত হয়। সৃষ্টিকর্তা পৃথিবীকে একটি ভারসাম্য নীতিতে পরিচালনা করছেন। কিন্তু মানুষ অপরিকল্পিতভাবে প্রকৃতিকে ধ্বংস করে পরিবেশগত বিপর্জয় সৃষ্টি করছে।

পরিবেশকে ধ্বংস করার জন্য বাংলাদেশের একটি শ্রেণী পিছিয়ে নাই। পরিবেশকে রক্ষার জন্য সরকার সহ অনেক দেশপ্রেমিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন দেশব্যাপী বৃক্ষরোপন করে চলছে। কিন্তু একটি শ্রেণী রয়েছে যারা নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য পরিবেশকে ধ্বংস করে যাচ্ছে। তিন ফসলী জমি, জলাশয়, খাল-বিল, নদী-নালা, খাস জমি প্রভৃতি ভরাট করে পরিবেশকে করে তুলছে ভারসাম্যহীন।

সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন’ ২০১১ (২০১১ সনের ১৪নং আইন) এর ১২ ধারা বলে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে ১৮(ক) অনুচ্ছেদ সন্নিবেশিত করে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে যে, “রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যত নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষন ও উন্নয়ন করিবেন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব-বৈচিত্র, জলাভূমি, বন ও বন্য প্রাণির সংরক্ষন ও নিরাপত্তা বিধান করিবেন।” পরিবেশকে সম্মুনত রাখার জন্য রাষ্ট্র সর্বোচ্চ পদক্ষেপ গ্রহণ করার দৃঢ় প্রত্যয়ে উক্ত অনুচ্ছেদটি সংবিধানে সন্নিবেশিত করেছে যা রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন এবং সকলের জন্য অপরিহার্য।

সংবিধানের অনুচ্ছেদ-৪৮(৩) মোতাবেক প্রধানমন্ত্রীই রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী যার আদেশ সকলের জন্য শিরোধার্য বটে। সরকারী ঘরনার লোকেরা প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও “রাষ্ট্র নায়ক” হিসাবে শেখ হাসিনাকে সম্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রীর সুনজরে থাকার জন্য ব্যবসায়ী ও ব্যাংক লুটেরা বাহিনী এখন সরকারী দলের সানিধ্য পাওয়ার চেষ্টায় লিপ্ত, এতে অনেকেই সফল হয়েছেন, বাকীরা আছেন পাইপ লাইনে। দোতারা বাজিয়ে দেশের ধনীক শ্রেণী ব্যবসায়ী, ব্যাংক লুটেরা, ভূমিদস্যুরা প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করেন বটে, কিন্তু দেশের পরিবেশ রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর চাহিদার প্রতিফলন হচ্ছে না। ফলে রাষ্ট্র কাদের নিয়ন্ত্রণে চলছে তা আচ করা যাচ্ছে না। কারণ প্রধানমন্ত্রী প্রনিয়তই বলে আসছেন যে, “তিন ফসলী জমি ভরাট করা যাবে না, জমির ব্যবহার সর্তকতার সাথে করতে হবে, শিল্পাঞ্চল করার ক্ষেত্রে ফসলী জমির অপব্যবহার করা যাবে না, নদী, খাল, জলাশয় বা জলাভূমি (বিল) প্রভৃতি জমি ভরাট করা যাবে না।” পরিবেশকে রক্ষার জন্য প্রধানমন্ত্রীর উক্ত নির্দেশনা ছাড়াও (১) বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষন আইন’ ১৯৯৫, (২) পরিবেশ আদালত আইন’ ২০০০, (৩) পরিবেশ সংরক্ষন বিধিমালা’ ১৯৯৭, (৪) মহানগরী, বিভাগীয় শহর ও জেলা শহরে পৌর এলাকা সহ দেশের সকল পৌর এলাকায় খেলার মাঠ, উম্মুক্ত স্থান এবং প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষন আইন’ ২০০০, (৫) বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষন (সংশোধন) আইন’ ২০০০, (৬) বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষন (সংশোধন) আইন’ ২০০০, (৭) বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষন (সংশোধন) আইন’ ২০০২ বলবৎ থাকাবস্থায় ভূমিদস্যুরা নদী, নালা, তিন ফসলী জমি, পুকুর, জলাশয়, বিল প্রভৃতি ড্রেজার লাগিয়ে কৃষকদের জমি ভরাট করে ফেলছে। হাই কোর্টের নির্দেশ থাকা স্বত্বেও ভূমিদস্যুদের জমি ভরাট কাজ অব্যাহত রয়েছে। সংবাদপত্র, পুলিশ ও প্রশাসন সকলেই ভূমিদস্যুদের পকেটস্থ। এই দস্যুরা নিজেরাই একাধিক মিডিয়ার মালিক। ফলে তাদের বেতনভুক্ত কর্মচারীরা এখন মিডিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করছে বিধায় জমিহারা মানুষের কান্না হয়তো দেশবাসী শুনতে পায় না।

সরকারের বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের স্বারক নং- ৪/৭/৮৭/২০০০/৫২৭ তারিখ-২৩/০৭/২০০০ মোতাবেক পরিপত্র জারী করে স্পষ্ট করে উল্লেখ করেছে যে, “বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষন আইন’ ১৯৯৫ (১৯৯৫ সনের ১নং আইন) এর ১৯(১) ধারায় প্রদত্ব ক্ষমতাবলে এই আইন বা বিধির বিধান লংঘন এবং পরিবেশ দূষণ সংক্রান্ত অপরাধের অভিযোগ আদালতে দায়ের করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকগণকে নির্দেশক্রমে ক্ষমতা অর্পন করা হলো”। জেলা প্রশাসকদের নিকট ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তিরা বার বার ধরনা দেয়া স্বত্বেও ভুক্তভোগী জনগণ কোন প্রতিকার পাচ্ছে না। অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছে যে, জেলা প্রশাসন ভূমিদস্যুদের পকেটস্থ হয়ে পড়েছে।

সরকার কেন ভূমিদস্যুদের নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হচ্ছে? এর কারণ উদ্ভাবন হওয়া দরকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে সবচেয়ে ক্ষমতাশালী ব্যক্তি। পরিবেশ দূষণ বন্ধ করার প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী কি আন্তরিক নন? প্রধানমন্ত্রী যদি পরিবেশ রক্ষা তথা তিন ফসলী জমি রক্ষা, জলাভূমি রক্ষা, জলাশয়, খাল-বিল প্রভৃতি রক্ষায় সত্যিই যদি আন্তরিক হয়ে থাকেন তবে ভূমিদস্যুরা উল্লেখিত জমিতে ড্রেজার লাগিয়ে ভরাট করে ফেলছে কি ভাবে? এতো বড় আস্পর্ধা ভূমিদস্যুরা পায় কোথায়? কার নির্দেশে ভূমিদস্যুদের প্রতিহত করার জন্য আইন মোতাবেক প্রদত্ব দায়িত্ব প্রশাসন পালন করছে না? এগুলি খতিয়ে দেখার দায়িত্ব কি প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের নাই?

রাজধানীর পার্শ্ববর্তী রূপগঞ্জ উপজেলা ভূমিদস্যুদের অভয় রাজ্যে। উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন ভূমিদস্যুদের আগ্রাসনের শিকার। রূপগঞ্জ উপজেলার দাউদপুর, ভোলাবো, রূপগঞ্জ, কায়েতপাড়া ইউনিয়ন সমূহ ও কাঞ্চন পৌরসভার জমিতে যেখানে ধান চাষ হতো, পুকুর ও বিলের মাছ ধরে গ্রামবাসী আমিষের সাধ মিটাতো সেখানে এখন শুধু বালু আর বালু। রূপগঞ্জের অসহায় কৃষক জমির মালিকগণ কোথাও কোন আশ্রয় প্রশয় পাচ্ছে না। জনগণকে আশ্রয় দেয়ার জন্য যারা জনদরদীর পোষ্টার ছাপিয়ে রাত্রিকালীন ভোটে এম.পি/মন্ত্রী হয়েছে তারাও ভূমিদস্যুদের পক্ষ নিয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানগণ সরাসরি ভূমিদস্যুদের দালালী করছে, এ দেশে ভূমিদস্যুদের উপঠোকনের বিনিময়ে সকলেই বিবেক বিক্রি করেছে বিধায় জন প্রতিনিধি, পুলিশ, প্রশাসন ভূমিদস্যুদের আগ্রাসনের বিষয়ে প্রতিরোধ না করে দর্শকের ভূমিকা পালন করে নিজ দায়িত্ব ও কর্তব্যকে ধর্ষণ করছে। ধর্ষণের মহামারীতে ভূমিদস্যুদের দ্বারা ধর্ষিত হচ্ছে দেশের পরিবেশ, ধর্ষিত হচ্ছে তিন ফসলী জমি, ধর্ষিত হচ্ছে পুকুর, জলাশয়, নদী-নালা, খাল-বিল প্রভৃতি। স্থানীয় চেয়ারম্যানরা শুধু দালালীই করছে না বরং বালু ভরাটের কাজও তাদের তদারকীতে হচ্ছে।

বৃট্রিশ যখন ভারতে আগমন করে তখন এই উপমহাদেশে প্রথমে একটি দালাল শ্রেণী তৈরী করে। তারপর দালালদের মাধ্যমে বিট্রিশরা ভারতের ব্যবসা-বানিজ্য দখল করে, পরবর্তীতে দালালদের উপর নির্ভর করে পলাশীর প্রান্তরে নবাব সিরাজদৌল্ল্যাকে পরাজিত করে ভারতের সিংহাসন দখল করে। ঠিক অনুরূপ ভূমিদস্যুরা রূপগঞ্জে প্রথমে দালাল শ্রেণী সৃষ্টি করেছে। দালাল হিসাবে ভূমিদস্যুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান/প্রাক্তন চেয়ারম্যান/মেম্বর ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কালেকশন করে তাদের ভূমিদস্যু কর্মকান্ডে অংশীদার বানিয়ে কোথাও প্রলোভন, কোথাও জুলুম অত্যাচার নির্যাতন করে জোর জবরদস্তি ড্রেজার লাগিয়ে বালু ভরাট করে ফেলছে। রূপগঞ্জ বাসী ভূমিদস্যুদের প্রতিহত করে নিজেদের ভিটা বাড়ী/জমিজমা রক্ষা করার জন্য রক্ত দিয়েছে, কিন্তু জন প্রতিনিধিদের সমর্থন পায় নাই বলে রূপগঞ্জের সন্তানদের রক্তে রূপগঞ্জের মাটি রঞ্জিত হয়েছে বটে, কিন্তু কোথাও কোথাও পৈত্রিক ভিটামাটি হারিয়ে রূপগঞ্জ বাসী এখন রোহিঙ্গাদের মত উৎবাস্তুতে পরিনত হচ্ছে।

পৈত্রিক ভিটামাটি রক্ষার দাবীতে ১৯৯৪ ইং সনের ১১ নভেম্বর রূপগঞ্জের জনগণ মিছিল করলে গোবিন্দুপুর নিবাসী ইউসুফ আলীর পুত্র সিরাজুল ইসলাম দড়ি গুতিয়াব বাজারে পুলিশের গুলিতে নিহত হয়, ধামচি গ্রামের বুধাই এর পুত্র হামেদ আলী পুলিশের গুলিতে দু’পা হারিয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করে। এছাড়াও ২৩/১০/২০১০ ইং তারিখে ভূমিদস্যুদের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কায়েতপাড়া ইউনিয়নের জনগণ মিছিল করলে হরিনা নদীর পাড় গ্রামের মোঃ আঃ রফিকের পুত্র মোঃ জামাল হোসেন পুলিশের গুলিতে ঘটনাস্থলেই নিহত হয়, মিছিলকারীদের অনেকেই গুরুতর আহত হয়েছিল। উক্ত ঘটনায় নিহত পরিবার বিচার বা আর্থিক ক্ষতিপূরন পাওয়া তো দূরের কথা সরকার থেকে তাদের জমি রক্ষার আশ্বাস পর্যন্ত দেয়া হয় নাই।

অতিসম্প্রতি কায়েতপাড়া ইউনিয়নের বড়ালু পাড়াগাঁও, কেরানিগঞ্জ, ছাতিয়ান, মাঝিনা, কামশাইর, কায়েতপাড়া, উলাব মৌজা সমূহে ভূমিদস্যুরা বালু দ্বারা তিন ফসলী জমি, খাল-বিল ভরাট করার জন্য পাইপ স্থাপনের কাজ শুরু করার প্রতিবাদে গ্রামবাসী জেলা প্রশাসক, পরিবেশ অধিদপ্তর সহ সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন নিবেদন জানিয়েও কোন প্রতিকার পাচ্ছে না। গ্রামবাসীরা মিছিল করলে ভূমিদস্যুদের মদদে পুলিশ তা ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পরিবেশ অধিদপ্তর, জেলা প্রশাসন ও পুলিশের ভূমিকায় প্রতিয়মান হয় যে, তারা যেন ভূমিদস্যুদের পকেটস্থ, কর্মচারী, ফসলী জমি, জলাশয়, খাল-বিল রক্ষা সহ পরিবেশ রক্ষার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশিকা যেন তাদের কর্নকুহরে পৌছায় না।

সংবিধান রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন। পরিবেশকে রক্ষার জন্য সংবিধান যেখানে নিশ্চয়তা প্রদান সহ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সেখানে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের প্রকাশ্য মদদে ভূমিদস্যুরা রাজধানীর পার্শ্ববর্তী রূপগঞ্জের পরিবেশ ধ্বংসের অভয় আরন্য সৃষ্টি করেছে। এমতাবস্থায়, এটাই কি বলা বাহুল্য যে, ভূমিদস্যুদের নিকট সংবিধান আজ অসহায় (!) প্রধানমন্ত্রী পরিবেশকে রক্ষার জন্য প্রতিনিয়ত যে ভাষন দিয়ে যাচ্ছেন তার কতটুকু বাস্তবায়ন হচ্ছে তা পরীক্ষা নিরীক্ষা বা পর্যালোচনা করা সহ খোজ খবর নেয়ার দায়িত্ব তার (প্রধানমন্ত্রীর) রয়েছে বলে কি তিনি (প্রধানমন্ত্রী) মনে করেন? বাস্তবিক ভাবেই যদি তিন ফসলী জমি রক্ষা করতে চান তবে সময় কি বয়ে যাচ্ছে না (!)

গ্রাম গঞ্জের ধর্ষণের অনেক ঘটনা মিডিয়াতে প্রকাশিত হয় বলে জনগণের দৃষ্টিগোচর হচ্ছে। ফলে দেশবাসী পাসন্ড পশু ধর্ষকদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ করার সূযোগ পাচ্ছে। কিন্তু রূপগঞ্জের তিন ফসলী জমি সহ পরিবেশ ধর্ষিত হওয়ার কাহিনী মিডিয়াতে আসে না, কারণ পরিবেশ ধর্ষকরা কেহ কেহ নিজেরাই মিডিয়ার মালিক। কবি বলেছেন যে, “মরিতে চাহিনা আমি এ সুন্দর ভূবনে।” কিন্তু সবল যখন দূর্বলের অধিকার ছিনিয়ে নেয়ার মাধ্যমে অযাচিত ধর্ষণ করে এবং এর যখন কোন প্রতিবাদ হয় না, তখন এই সুন্দর পৃথিবীর চেহারাটা অত্যান্ত কুৎসিত মনে হয়। জমিহারা ভূমিহারা মানুষের নিকট এখন মনে হয় তারা সত্যই অসহায়। কারণ রূপগঞ্জ উপ জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বালু ভরাটের উপরে মহামান্য হাই কোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকা স্বত্বেও জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও পুলিশের পৃষ্ঠপোষকতায় জমি ভরাট অব্যাহত রয়েছে, মিডিয়া যার নিরব দর্শক।

লেখক

অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার

রাজনীতিক, কলামিষ্ট ও আইনজীবি (এ্যাপিলেট ডিভিশন)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *