ধারাবাহিকে ব্যস্ত নাদিয়া

নিউজ দর্পণ, ঢাকা:  টিভি নাটকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নাদিয়া আহমেদ। একাধিক ধারাবাহিক নাটক নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন এখন। তার অভিনীত ধারাবাহিকগুলো হলো- সকাল আহমেদের ‘ভদ্রপাড়া’, নিয়াজ মাহবুবের ‘সত্যপুরের নিত্যদিন’, অনন্য ইমনের ‘ফ্যামিলি ফ্যান্টাসি’, কায়সার আহমেদ ও আল হাজেনের ‘গোলমাল’, তুষার খানের ‘সংকটে সংকট’, ইমরান হাওলাদারের ‘ভিলেজ হট্টগোল’, সাজিন আহমেদ বাবুর ‘কর্পোরেট ভালোবাসা’ ও ফরিদুল হাসানের ‘বাহানা’। প্রতিটি ধারাবাহিকে এই অভিনেত্রী থাকছেন ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে।

নাদিয়া বলেন, আমি আগে থেকেই ধারাবাহিকের প্রতি মনোযোগী। গেল ঈদেও আমার ধারাবাহিক নাটকের সংখ্যা ছিল বেশি। লকডাউনের পর বেশ কয়েকটি নতুন ধারাবাহিকের সঙ্গে যুক্ত হয়েছি। এগুলোর গল্প ভালো লেগেছে এবং অবশ্যই চরিত্রে ভিন্নতা আছে বলেই কাজ করছি।

এই সময়ে অনেক অভিনেত্রীকে টিভি ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করতে আগ্রহী হতে দেখা যায় না। সেই দিক থেকে আপনি ব্যতিক্রম। বছরের পুরো সময়ে টিভি ধারাবাহিকে থাকছেন। কারণ কী? উত্তরে নাদিয়া বলেন, আমাদের এখন বিনোদনের অনেক মাধ্যম এসেছে। কাজের সংখ্যাও বেড়েছে। কিন্তু এটি সত্যি যে, উৎসবগুলোতেই খণ্ড নাটকের দিকে দর্শকদের আগ্রহ থাকে বেশি। বিভিন্ন উৎসবেই ভালো গল্পে একক নাটক নির্মাণ হচ্ছে বেশি। কিন্তু আমি শুধু উৎসবগুলোতেই দর্শকদের সঙ্গে থাকতে চাই না। দর্শকদের সঙ্গে থাকার জন্য ধারাবাহিক নাটকের বিকল্প নেই। তাই নিয়মিত ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করছি। গেল ঈদে এই অভিনেত্রীর এবং আল হাজেনের পরিচালনায় ‘জামাই বাজার-২’ ও আদিবাসী মিজানের ‘চড়া তালুকদার’ ধারাবাহিক দু’টি বেশ সাড়া ফেলে। ধারাবাহিকের বাইরে নাদিয়া অভিনীত হানিফ সংকেতের ‘মনের মতি মনের গতি’ নাটকটিও বেশ প্রশংসিত হয়। ঈদের পর থেকেই শুটিং করছেন এই অভিনেত্রী। করোনাভাইরাসে এখন বাইরের পরিবেশ নিরাপদ নয়। এক্ষেত্রে শুটিংয়ে কি ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে যান? উত্তরে তিনি বলেন, এখন শুটিং স্পটে লোকবল আগের চেয়ে অনেক কম থাকে। এ ছাড়া মেকাপ নিজেই করছি। নির্দিষ্ট সময়ে নিজের কাজটা শেষ করে বাসায় ফিরছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *